বীজগনিতের সাহায্যে রাসায়নিক সমীকরণকে সমতাবিধান করা:
রাসায়নিক সমীকরনের তীরচিহ্নের উভয় পার্শ্বে পরমাণুর সংখ্যা সমান হবেই - এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে বীজগনিতের সমীকরণ গঠন করে সমাধান করে সমতা বিধান করা হয়। এই পদ্ধতি একটু সময়সাপেক্ষ কিন্তু নির্ভূল ও সফল হবেই। যেমন,
প্রথম উদাহরণ:
P+O2→P2O5
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুণ করে পাই।
a.P+b.O2→c.P2O5
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান হবেই, তাই প্রতিটি পরমাণুর জন্যে লেখা যায়,
P পরমাণুর জন্যে লেখা যায়: a=2c
O পরমাণুর জন্যে লেখা যায়: 2b=5c
এবার উপরের দুটি সমীকরনে এই a, b ও c সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→1 1 বার
b→1 1 বার এবং
c→2 2 বার
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে বের করার জন্য যে সহগটি সবথেকে বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে
c=1
a=2×1=2 এবং
2b=5×1=5
বা, b=52
সুতরাং এখানে,
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
2P+52O2=P2O5
সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তরিত করে পাই
4P+5O2=2P2O5
দ্বিতীয় উদাহরণ:
S+H2SO4→SO2+H2O
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুণ করে পাই।
a.S+b.H2SO4→c.SO2+d.H2O
যেহেতু রাসায়নিক বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পারমাণুর সংখ্যা সমান হবেই, তাই প্রতিটি পরমাণুর জন্য লেখা যায়,
S পরমাণুর জন্য লেখা যায়: a+b=c
H পরমাণুর জন্য লেখা যায়: 2b=2d বা b=d
O পরমাণুর জন্য লেখা যায়: 4b=2c+d
এবার উপরের সমীকরণগুলিতে a, b, c এবং d সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি।
a→1 বার
b→3 বার
c→2 বার
d→2 বার
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে বের করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে b=1
সুতরাং
b=1
a+1=c
d=1
4=2c+1
বা, 2c=3
বা, c=32
এবং a+1=32
বা, a=32−1
বা, a=12
সুতরাং এখানে
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
12S+H2SO4=32SO2+H2O
এখন সমস্ত সহগগুলিকে পূর্নসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে 2 দিয়ে গুণ করে পাই।
S+2H2SO4=3SO2+2H2O
তৃতীয় উদাহরণ:
C+HNO3→NO2+CO2+H2O
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুন করে পাই,
a.C+b.HNO3→c.NO2+d.CO2+e.H2O
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান, তাই লেখা যায়,
C পরমাণুর জন্য: a=d
H পরমাণুর জন্য: b=2e
N পরমাণুর জন্য: b=c
O পরমাণুর জন্য: 3b=2c+2d+e
এবার উপরের সমীকরণগুলিতে a, b, c, d এবং e সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→1
b→3
c→2
d→2
e→2
এখন সহগগুলির মান সহজে নির্ণয় করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে, b=1
সুতরাং,
b=1
a=d
1=2e
বা, e=12
1=c
বা, c=1
3=2+2d+12
বা, 2d=3−52
বা, d=14
এবং a=d=14
সুতরাং এখানে,
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
14C+HNO3=NO2+14CO2+12H2O
সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে 4 দিয়ে গুণ করে পাই,
C+4HNO3=4NO2+CO2+2H2O
চতুর্থ উদাহরণ:
NH3+Cl2→NH4Cl+N2
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুন করে পাই,
a.NH3+b.Cl2→c.NH4Cl+d.N2
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান তাই লেখা যায়,
N পরমাণুর জন্য: a=c+2d
H পরমাণুর জন্য: 3a=4c
Cl পরমাণুর জন্য: 2b=c
এবার উপরের সমীকরণগুলিতে a, b, c ও d সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→2
b→1
c→3
d→1
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে নির্ণয় করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে, c=1
c=1
a=1+2d
3a=4 বা, a=43
2b=1 বা, b=12
এবং 43=1+2d বা, 2d=43−1 বা, d=16
সুতরাং এখানে,
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
43NH3+12Cl2=NH4Cl+16N2
সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে প্রতিটি অণুকে 6 দিয়ে গুণ করে পাই,
8NH3+3Cl2=6NH4Cl+N2
পঞ্চম উদাহরণ:
Pb(NO3)2→PbO+NO2+O2
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুন করে পাই,
a.Pb(NO3)2→b.PbO+c.NO2+d.O2
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান তাই লেখা যায়,
Pb পরমাণুর জন্য: a=b
N পরমাণুর জন্য: 2a=c
O পরমাণুর জন্য: 6a=b+2c+2d
এবার উপরের সমীকরণগুলিকে a, b, c এবং d সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→3 বার
b→2 বার
c→2 বার
d→1 বার
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে নির্ণয় করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে সেটিকে 1 ধরতে হবে।
সুতরাং এখানে,
a=1 এবং
b=1
2=c বা c=2 এবং
6=1+4+2d
বা, 2d=1
বা, d=12
সুতরাং এখানে,
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
Pb(NO3)2=PbO+2NO2+12O2
এখন সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে প্রতিটি অণুকে 2 দ্বারা গুণ করে পাই।
2Pb(NO3)2=2PbO+4NO2+O2
কয়েকটি রাসায়নিক সমীকরণ নিম্নে দেওয়া হল (সমতাবিধান করো):
1 Cu+H2SO4→CuSO4+SO2+H2O
2 Mg+CO2→MgO+C
3 CaCO3+HCl→CaCl2+CO2+H2O
4 NH3+Cl2→NH4Cl+N2
5 NH3+Cl2→NCl3+HCl
6 H2O+F2→HF+O2
7 H2O+F2→HF+O3
8 HIO3+HI→H2O+I2
9 NH3+O2→N2+H2O
10 Mg+N2→Mg3N2
11 Al+O2→Al2O3
12 KNO3→KNO2+O2
13 Fe+H2O→Fe2O3+H2
14 C2H2+O2→CO2+H2O
15 C2H6+O2→CO2+H2O
16 SO2+O2→SO3
17 KI+Cl2→KCl+I2
18 HgO→Hg+O2
19 NO+O2→NO3
20 N2+H2→NH3
21 Mg+O2→MgO
22 H2+Cl2→HCl
23 KClO3→KCl+O2
24 AgCl→Ag+Cl2
25 CaCO3→CaO+CO2
26 Fe+H2O→Fe3O4+H2
27 P4+O2→P2O5
28 NH3+O2→NO+H2O
29 C+HNO3→CO2+NO2+H2O
30 CuO+NH3→Cu+N2+H2O
31 Zn+HNO3→Zn(NO3)2+NO2+H2O
32 Cu+HNO3→Cu(NO3)2+NO+H2O
33 Na+H2O→NaOH+H2
34 S+H2SO4→SO2+H2O
35 HNO3→H2O+NO+O2
36 H2O2+PbS→PbSO4+H2O
37 (NH4)2Cr2O7→Cr2O3+N2+H2O
38 Al+NaOH+H2O→NaAlO2+H2
39 BaCl2+H2SO4→BaSO4+HCl
40 Cl2+NaOH→NaCl+NaOCl+H2O
41 FeCl3+NH4OH→Fe(OH)3+NH4Cl
42 HNO3+H2S→NO+S+H2O
43 FeCl3+SnCl2→FeCl2+SnCl4
44 MnO2+HCl→MnCl2+Cl2+H2O
রাসায়নিক সমীকরনের তীরচিহ্নের উভয় পার্শ্বে পরমাণুর সংখ্যা সমান হবেই - এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে বীজগনিতের সমীকরণ গঠন করে সমাধান করে সমতা বিধান করা হয়। এই পদ্ধতি একটু সময়সাপেক্ষ কিন্তু নির্ভূল ও সফল হবেই। যেমন,
প্রথম উদাহরণ:
P+O2→P2O5
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুণ করে পাই।
a.P+b.O2→c.P2O5
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান হবেই, তাই প্রতিটি পরমাণুর জন্যে লেখা যায়,
P পরমাণুর জন্যে লেখা যায়: a=2c
O পরমাণুর জন্যে লেখা যায়: 2b=5c
এবার উপরের দুটি সমীকরনে এই a, b ও c সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→1 1 বার
b→1 1 বার এবং
c→2 2 বার
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে বের করার জন্য যে সহগটি সবথেকে বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে
c=1
a=2×1=2 এবং
2b=5×1=5
বা, b=52
সুতরাং এখানে,
a=2, b=52, c=1
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
2P+52O2=P2O5
সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তরিত করে পাই
4P+5O2=2P2O5
দ্বিতীয় উদাহরণ:
S+H2SO4→SO2+H2O
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুণ করে পাই।
a.S+b.H2SO4→c.SO2+d.H2O
যেহেতু রাসায়নিক বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পারমাণুর সংখ্যা সমান হবেই, তাই প্রতিটি পরমাণুর জন্য লেখা যায়,
S পরমাণুর জন্য লেখা যায়: a+b=c
H পরমাণুর জন্য লেখা যায়: 2b=2d বা b=d
O পরমাণুর জন্য লেখা যায়: 4b=2c+d
এবার উপরের সমীকরণগুলিতে a, b, c এবং d সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি।
a→1 বার
b→3 বার
c→2 বার
d→2 বার
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে বের করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে b=1
সুতরাং
b=1
a+1=c
d=1
4=2c+1
বা, 2c=3
বা, c=32
এবং a+1=32
বা, a=32−1
বা, a=12
সুতরাং এখানে
a=12, b=1, c=32, d=1
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
12S+H2SO4=32SO2+H2O
এখন সমস্ত সহগগুলিকে পূর্নসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে 2 দিয়ে গুণ করে পাই।
S+2H2SO4=3SO2+2H2O
তৃতীয় উদাহরণ:
C+HNO3→NO2+CO2+H2O
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুন করে পাই,
a.C+b.HNO3→c.NO2+d.CO2+e.H2O
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান, তাই লেখা যায়,
C পরমাণুর জন্য: a=d
H পরমাণুর জন্য: b=2e
N পরমাণুর জন্য: b=c
O পরমাণুর জন্য: 3b=2c+2d+e
এবার উপরের সমীকরণগুলিতে a, b, c, d এবং e সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→1
b→3
c→2
d→2
e→2
এখন সহগগুলির মান সহজে নির্ণয় করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে, b=1
সুতরাং,
b=1
a=d
1=2e
বা, e=12
1=c
বা, c=1
3=2+2d+12
বা, 2d=3−52
বা, d=14
এবং a=d=14
সুতরাং এখানে,
a=14, b=1, c=1, d=14, e=12
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
14C+HNO3=NO2+14CO2+12H2O
সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে 4 দিয়ে গুণ করে পাই,
C+4HNO3=4NO2+CO2+2H2O
চতুর্থ উদাহরণ:
NH3+Cl2→NH4Cl+N2
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুন করে পাই,
a.NH3+b.Cl2→c.NH4Cl+d.N2
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান তাই লেখা যায়,
N পরমাণুর জন্য: a=c+2d
H পরমাণুর জন্য: 3a=4c
Cl পরমাণুর জন্য: 2b=c
এবার উপরের সমীকরণগুলিতে a, b, c ও d সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→2
b→1
c→3
d→1
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে নির্ণয় করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে তার মান 1 ধরতে হবে। তাহলে এখানে, c=1
c=1
a=1+2d
3a=4 বা, a=43
2b=1 বা, b=12
এবং 43=1+2d বা, 2d=43−1 বা, d=16
সুতরাং এখানে,
a=43, b=12, c=1, d=16
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
43NH3+12Cl2=NH4Cl+16N2
সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে প্রতিটি অণুকে 6 দিয়ে গুণ করে পাই,
8NH3+3Cl2=6NH4Cl+N2
পঞ্চম উদাহরণ:
Pb(NO3)2→PbO+NO2+O2
এবার বিক্রিয়ক ও বিক্রিয়াজাত পদার্থগুলির প্রতিটি অণুতে আলাদা আলাদা সহগ গুন করে পাই,
a.Pb(NO3)2→b.PbO+c.NO2+d.O2
যেহেতু বিক্রিয়াটির উভয়পাশে পরমাণুর সংখ্যা সমান তাই লেখা যায়,
Pb পরমাণুর জন্য: a=b
N পরমাণুর জন্য: 2a=c
O পরমাণুর জন্য: 6a=b+2c+2d
এবার উপরের সমীকরণগুলিকে a, b, c এবং d সহগগুলি কতবার করে আছে সেটা দেখি:
a→3 বার
b→2 বার
c→2 বার
d→1 বার
এখন সহগগুলির মান খুব সহজে নির্ণয় করার জন্য যে সহগটি বেশীবার আছে সেটিকে 1 ধরতে হবে।
সুতরাং এখানে,
a=1 এবং
b=1
2=c বা c=2 এবং
6=1+4+2d
বা, 2d=1
বা, d=12
সুতরাং এখানে,
a=1, b=1, c=2, d=12
সহগগুলি রাসায়নিক সমীকরণে বসিয়ে পাই,
Pb(NO3)2=PbO+2NO2+12O2
এখন সমস্ত সহগগুলিকে পূর্ণসংখ্যায় পরিণত করার জন্য সমীকরণের উভয়পাশে প্রতিটি অণুকে 2 দ্বারা গুণ করে পাই।
2Pb(NO3)2=2PbO+4NO2+O2
কয়েকটি রাসায়নিক সমীকরণ নিম্নে দেওয়া হল (সমতাবিধান করো):
1 Cu+H2SO4→CuSO4+SO2+H2O
2 Mg+CO2→MgO+C
3 CaCO3+HCl→CaCl2+CO2+H2O
4 NH3+Cl2→NH4Cl+N2
5 NH3+Cl2→NCl3+HCl
6 H2O+F2→HF+O2
7 H2O+F2→HF+O3
8 HIO3+HI→H2O+I2
9 NH3+O2→N2+H2O
10 Mg+N2→Mg3N2
11 Al+O2→Al2O3
12 KNO3→KNO2+O2
13 Fe+H2O→Fe2O3+H2
14 C2H2+O2→CO2+H2O
15 C2H6+O2→CO2+H2O
16 SO2+O2→SO3
17 KI+Cl2→KCl+I2
18 HgO→Hg+O2
19 NO+O2→NO3
20 N2+H2→NH3
21 Mg+O2→MgO
22 H2+Cl2→HCl
23 KClO3→KCl+O2
24 AgCl→Ag+Cl2
25 CaCO3→CaO+CO2
26 Fe+H2O→Fe3O4+H2
27 P4+O2→P2O5
28 NH3+O2→NO+H2O
29 C+HNO3→CO2+NO2+H2O
30 CuO+NH3→Cu+N2+H2O
31 Zn+HNO3→Zn(NO3)2+NO2+H2O
32 Cu+HNO3→Cu(NO3)2+NO+H2O
33 Na+H2O→NaOH+H2
34 S+H2SO4→SO2+H2O
35 HNO3→H2O+NO+O2
36 H2O2+PbS→PbSO4+H2O
37 (NH4)2Cr2O7→Cr2O3+N2+H2O
38 Al+NaOH+H2O→NaAlO2+H2
39 BaCl2+H2SO4→BaSO4+HCl
40 Cl2+NaOH→NaCl+NaOCl+H2O
41 FeCl3+NH4OH→Fe(OH)3+NH4Cl
42 HNO3+H2S→NO+S+H2O
43 FeCl3+SnCl2→FeCl2+SnCl4
44 MnO2+HCl→MnCl2+Cl2+H2O
No comments:
Post a Comment